মুচকি হাসি

ঘরের চালের তাসবীহ পাঠ
পাঠিয়েছে : মুহাম্মদ আল-আমীন
               ফতুল্লা, নাহরাইনগঞ্জ

     একটি জীর্ণশীর্ণ ছনের কুঠুরীর ভাঙ্গা চাল দেখে জৈনক ব্যক্তি তার মালিককে বলল-
ব্যক্তিঃ ‘ভাই! আপনার চালের একটি কাঠ  
     মটমট করছে। তা বদলে ফেলুন।’
মালিকঃ ‘ভয় নেই! এই কাঠটি এক মনে  
     তাসবীহ পড়ছে।’
ব্যক্তিঃ ‘ আমার আশংকা হচ্ছে, তাসবীহ  
     পড়তে পড়তে মন বেশি নরম হয়ে  
     গেলে আবার সাজদায় পড়ে যাবে।’

আন্দোলন
তানযীলা বিনতে ওসমান গণি
ইলিয়টগঞ্জ, কুমিল্লা

   এক রাজনৈতিক নেতার সাথে কথা হচ্ছে-
নেতা : আগামী মাস থেকে আন্দোলন 
     শুরু করবো। 
সহযোগি : এ মাসে কেন নয় স্যার?
নেতা : এ মাসে যে আমার ছেলের বিয়ে।
সহযোগি : আগামী মাসে কেন স্যার?
নেতা : আগামী মাসে মেয়ের বিয়ে।
সহযোগি : আগামী মাসে কি ইস্যু থাকবে?  
     আপনার মেয়ের বিয়ের ক্ষতি হবে না? 
নেতা : দুত! বোকা? আমি তো যৌতুক  
     বিরোধী আন্দোলন করব।

ঘাম শুকাচ্ছি মা
   পাঠিয়েছে: জুনাইদ বিন নাযিমুদ্দীন (২২)

     এতক্ষণ ক্রিকেট খেলে ঘামতে ঘামতে 
   এসে একটি মাদুর পেতে উঠানে শুয়েছে।
মাঃ এই রোদে ওখানে কি করছিস জুনাইদ?
জুনাইদঃ ঘাম শুকাচ্ছি মা।
মাঃ এত বড় রোদে তোর ঘাম শুকাচ্ছিস!?
জুনাইদঃ হাঁ মা, দেখো না ঘামতে ঘামতে 
     আমার কি অবস্থা।

পিঁপড়ের খাবার
নাহিদা জান্নাত মাইমুনা (০২)

     হাতি আর পিঁপড়েতে গভীর ভালোবাসা। পিঁপড়ের পাসপোর্ট, ভিসা, টিকিট সবই আছে। সে মাসে মাসে ইন্ডিয়া যায়; কিন্তু হাতি যেতে পারে না। তাই তার বড় দুঃখ। একদিন পিঁপড়ে বললঃ
- ‘দুঃখ করো না বন্ধু! আমি তোমাকে ইন্ডিয়া নিয়ে যাব।’
- ‘কিভাবে? আমার যে ছাড়পত্র নেই।’
- ‘তাতে সমস্যা নেই; আগামী বার চলো।
     দু‘বন্ধু রওনা হয়েছে। বর্ডার পার হবার সময় বি.এস.এফ আটকালো দু‘জনকেই। পিঁপড়ে বৈধ কাগজ-পত্র দেখালো। পরে বি.এস.এফ হাতিকে জিজ্ঞেস করলো, তোমার কাগজ-পত্র কোথায়?
- ‘ও আমাকে সাথে নিয়ে যাচ্ছে। ওকে জিজ্ঞেস করুন স্যার।’ হাতি বলল। 
-‘কি পিঁপড়ে?’ জিজ্ঞাসা বি.এস.এফ এর।
- ‘এবার ইন্ডিয়ায় অনেক দিন থাকবো। প্রচুর খাবার দরকার হবে। তাই খাবার জন্য এই মোটা তাজা হাতিটিকে সাথে নিচ্ছি। খাবারের আবার ভিসা-পাসপোর্ট কিসের?’

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন